CATEGORY district:

Card image cap

ফের ছেলেধরা গুজব!

বারাসত, অশোকনগর, বারাকপুরের পর এবার বনগাঁয় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি! শনিবার রাতে মারধরের চোটে গুরুতর জখম ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুরপল্লি এলাকায়। পুলিশ ইতিমধ্যে দুজনকে আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার বিকেল থেকে ঠাকুরপল্লি এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিলেন ওই ভবঘুরে। সন্ধের পর স্থানীয় কয়েকজন তাঁর নাম-পরিচয় জানতে চায়। অভিযোগ এর পরেই তাঁকে ছেলেধরা সন্দেহে বেধড়ক মারধর শুরু করে স্থানীয় কয়েকজন। স্থানীয় ক্লাবের সম্পাদক নির্মলেন্দু বিশ্বাস বলেন, “রাতের বেলা এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে ঘোরাঘুরি করতে লক্ষ্য করে বাসিন্দারা। ছেলেধরা সন্দেহে তাঁকে মারধর করা হয়। আমরা সেখানে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দিই। পুলিশ এসে তাকে গুরুতর জখম অবস্থায় বনগাঁ মহাকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে।” এই ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
প্রসঙ্গত, ছেলেধরা সন্দেহে মারধরের ঘটনা শুরু হয় বারাসতের এক বালককে খুনের ঘটনার প্রেক্ষিতে। এর পর অশোকনগর ও বারাকপুরেও গণধোলাইয়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশের প্রশাসনের তরফে বারবার প্রচার করার পরেও বনগাঁতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। ঘটনার তদন্ত নেমে পুলিশ ইতিমধ্যে দুজনকে আটক করেছে |

Card image cap

তিন TMC নেতার সঙ্গে রাত কাটানোর 'প্রস্তাব', স্বামীর চাকরি বাঁচাতে চরম সিদ্ধান্ত দুর্গাপুরের তরুণীর

স্বামীকে কাজে ফেরাতে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে রাত্রিবাসের প্রস্তাব! চাপে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা গৃহবধূর। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ দুর্গাপুরে। অভিযোগ, স্থানীয় মহিলারা এলাকায় মদের দোকান বন্ধ করায় ওই এলাকারই এক তরুণীর স্বামীকে ঠিকাদারির কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।


কিন্তু শুরু থেকেই স্বামীকে ফের কাজে ফেরানোর দাবি তুলেছিলেন গৃহবধূ। অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল নেতারা প্রস্তাব দেন, তাঁদের সঙ্গে রাত্রিবাস করলেই স্বামীকে ফের কাজে ফেরানো হবে। সেই কুপ্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়াই লাগাতার হুমকি আসতে থাকে বলেও অভিযোগ। সেই ভয়ে পুলিশের উদ্দেশ্যে পুরো ঘটনা বিস্তারিত লিখে ফেলেন ওই মহিলা। তারপর শুক্রবার দুপুরে নিজের ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানা এলাকায়। ঘটনার খবর চাউর হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকার রাজনৈতিক মহলে।


সূত্রের খবর, ওই গৃহবধূর স্বামী দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় শ্রমিক সরবরাহকারী ঠিকাদার ছিলেন। এদিকে যে এলাকায় ওই তরুণীর বাড়ি সেখানে এলাকারই তিন তৃণমূল নেতার মদের দোকান ছিল। যদিও তা অবৈধ বলে দাবি স্থানীয়দের। এলাকার মহিলারা ওই দোকান বন্ধ করে দেন। প্রতিবাদ করেন ওই ঠিকাদারের স্ত্রীও। ওই ব্যক্তিকে ঠিকাদারি থেকে সরিয়ে দেয় দুর্গাপুরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগ এমনটাই। কিন্তু, স্বামীর কাজ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করেন ওই মহিলা।


অভিযোগ, তারপরেই তৃণমূলের তিন নেতা মিলে ওই তরুণীকে কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন। সেই কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় লাগাতার হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। সেই ভয়ে পুলিশের উদ্দেশ্যে সুইসাইট নোট লিখে শুক্রবার দুপুরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই গৃহবধূ। স্থানীয়রাই দ্রুত তাঁকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে স্থানান্তর করা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে।


 কী বলছেন এলাকার লোকজন? 


ঘটনায় এক স্থানীয় মহিলা বলেন, "এলাকার তিন তৃণমূল নেতা মদের কারবারের সঙ্গে যুক্ত। ওদের মদের দোকান বন্ধ করতেই লোকসভা নির্বাচনের আগে অভিযানে নেমেছিল মেয়েটা। স্থানীয় কিছু মহিলাও ওর সঙ্গে ছিল। কিন্তু ভোটের ফল বোরেতেই শুরু হয় অত্যাচার। ওর স্বামীকেও ঠিকাদারির কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কাজে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তুললে মেয়েটাকে ওদের সঙ্গে রাত কাটাতে বলে।"


যদিও দুর্গাপুরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী পুরপিতা দেবব্রত সাঁই বলছেন অন্য কথা। তিনি বলেন, "একটা ঝামেলা হয়েছিল। দুই পাড়ার মধ্যে মদের দোকান নিয়ে বা অন্য কিছু নিয়ে ঝামেলা বলে শুনেছিলাম। উভয়পক্ষকে নিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়। সবাইকে ডাকা হলেও এক পক্ষ আসেনি।" যদিও বর্তমানে ওই তরুণীর লেখা সুইসাইড নোটকে অভিযোগপত্র হিসাবে ব্যবহার করছে পুলিশ, সূত্রের খবর এমনটাই। শুরু হয়েছে তদন্ত। যদিও এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।

Card image cap

‘ছেলেধরা’ গুজবে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে গণপিটুনি!

বারাসতের ‘ছেলেধরা’ গুজবের আঁচ এবার অশোকনগরে। শুক্রবার সন্ধেবেলা অশোকনগরের ভরকুন্ডা পঞ্চায়েতের পুমলিয়া বাজারে এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে শিশু অপহরণকারী সন্দেহে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে অশোকনগর থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছে আক্রান্তকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের উপরই আছড়ে পড়ে জনতার ক্ষোভ। ক্ষিপ্ত জনতা পুলিশের প্রতিও মারমুখী হয়ে পড়ে। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার ছড়ায়। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে আক্রান্ত মহিলাকে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় গণপিটুনি, পুলিশের উপর হামলা, বিশৃঙ্খলার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
দিন কয়েক ধরে ছেলেধরা গুজবে উত্তাল বারাসত এলাকা। কাজিপাড়ায় এক কিশোরের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা থেকে এহেন গুজব। এই ঘটনায় শুক্রবার আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম আবদুল করিম এবং শেখ রাজেশ। এনিয়ে গুজব কাণ্ডে ধৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২১। এ বিষয়ে বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গী জানান, ”আমাদের এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে। কেউ যদি ভাবে, উসকানি দিয়ে রেহাই পাবে, তাহলে সেটা ভুল। বৃহস্পতিবার রাতেও আমরা দুজনকে গ্রেপ্তার করেছি। মানুষের মধ্যে সচেতনতা জরুরি। কারণ, এখনও পাচার নিয়ে কোনও তথ্য বা প্রমাণ নেই। সবটাই গুজব।” সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।
বারাসত জেলা পুলিশের তরফে ‘ছেলেধরা’ গুজব রুখতে লাগাতার সচেতনতা প্রচার করা হলেও বুধবার বারাসতের পৃথক দুটি জায়গায় বিশৃঙ্খলা, গন্ডগোল, গণপিটুনি-সহ পুলিশের উপর হামলার ঘটনাও ঘটে। আলোচনা শুরু হয় সোশাল মিডিয়া জুড়ে। এর পর গুজব মারাত্মক আকার ধারণ করলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা করে পুলিশ। সেই মতো সোশাল মিডিয়ায় গুজব রটানোর অভিযোগে তিনজনকে এবং বিশৃঙ্খলা, গন্ডগোল, গণপিটুনি-সহ পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ১৬জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার ধৃত মধ্যমগ্রামের আবদুল করিমের বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। আরেক ধৃত বারাসতের বাসিন্দা শেখ রাজেশকেও একই অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অশোকনগরের ঘটনায় স্পষ্ট যে গুজব বন্ধ করতে পুলিশের সচেতনতা প্রচারে বিশেষ লাভ হচ্ছে না।

Card image cap

বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রাঘাতই ডেকে আনল বিপদ

 তীব্র দাবদাহের পর রাজ্যে স্বস্তির বৃষ্টি। তবে সেই বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রাঘাত ডেকে আনল বিপদ। প্রাণ গেল অন্তত দুজনের। একজন গড়বেতার। অন্যজন মেদিনীপুর সদর ব্লকের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব‌্যক্তিরা হলেন যথাক্রমে তারাপদ মাইতি(৩৮) ও লক্ষ্মীরাম বেশরা। দুজনই মাঠে চাষের কাজ করছিলেন। গড়বেতার আমকোপা অঞ্চলের নেপুরা গ্রামে বাড়ি তারাপদবাবুর। তিনি এদিন তিলখেতে কাজ করছিলেন। আর অপরজন লক্ষ্মীরাম বেশরার বাড়ি মেদিনীপুর সদর ব্লকের পাচরায়। তিনি ধানের বীজতলা ফেলার কাজে নিযুক্ত ছিলেন। দুপুরে আচমকা বজ্রবিদ‌্যুৎ-সহ বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। সেই সময় দুর্ঘটনা ঘটে।
sআলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু উত্তরবঙ্গের মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে এবং বিহারের কিছু অংশে পৌঁছে গিয়েছে।
আগামী দু-তিন দিনে দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে পৌঁছে যাবে বর্ষা। তার ফলে আগামী তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে কলকাতা-সহ সব জেলা। তাপমাত্রা সামান্য কমেছে। তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। রবিবারের পর বৃষ্টির পরিমাণ কমবে।
উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে। হাওয়া অফিসের তরফে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনি এবং রবিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমবে। গত ২৪ ঘন্টায় তুফানগঞ্জে বৃষ্টি হয়েছে ২০২.৪ মিলিমিটার। কোচবিহারে ১৩৬ মিলিমিটার এবং গঙ্গারামপুরে ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

Card image cap

রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে অসাধ্যসাধন

একাধিক হাসপাতাল ঘোরার পর তাদের বলা হয়েছিল বাঁ পা কেটে বাদ দিতে হবে। কারণ ওই পায়ের টিউমার থেকে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সেই পা এখন সচল। দিব্যি হাঁটছেন রোগী। ১৫ সেন্টিমিটার লম্বা, ১০ সেন্টিমিটার চওড়া, ৮ সেন্টিমিটার গভীরতায় দেড় কেজি ওজনের টিউমার অস্ত্রোপচারে বাদ দিয়ে আবার নজর কাড়লেন পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকরা। ওই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের শল্য চিকিৎসক পবন মণ্ডলের তত্ত্বাবধানে এই সাফল্যের মুখ দেখে ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট কাম ভাইস প্রিন্সিপাল সুকোমল বিষয়ী বলেন, “অনেকটাই জটিল ছিলো এই অস্ত্রোপচার । চিকিৎসকরা ধৈর্য নিয়ে এই কাজ করেছেন। তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। “
বেশ কয়েক বছর ধরেই দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বল্প
পরিকাঠামোতেই একের পর এক জটিল অস্ত্রোপচার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এইসব জটিল অস্ত্রোপচারের পুরোভাগে রয়েছেন শল্য চিকিৎসক পবন মণ্ডল। তাঁর কথায়, ” এই কাজটাও সহজ ছিল না। আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে সফল হয়েছি। রোগীর অবস্থা এখন স্থিতিশীল। ওই বাঁ পা দিয়েই হাঁটতে পারছে।” এই অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে কিছু সংখ্যক পেশী ও নার্ভ বাদ দিতে হয়েছে। যা পায়ের নড়াচড়ায় ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ। দেড় কিলো ওজনের ওই টিউমার একেবারে হাড় পর্যন্ত চলে গিয়েছিল। পুরুলিয়ার বলরামপুর থানার বেড়াদা গ্রামের ৩১ বছরের বধূ শিবানী মাহাতোর চোখমুখে এখন খুশির ঝিলিক। তার কাকা অশ্বিনী মাহাতো বলেন, ” একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাঁ পা টা বাদ দিতে বলেছিল । দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকরা অক্ষত রেখে অসাধ্যসাধন করেছেন। এটা কোনদিন ভুলব না।”ওই বধূর বছর ছয়েক আগে হাঁটুর নিচে ফুলতে শুরু করে। তারপর পুরুলিয়া, ঝাড়খণ্ড, দুর্গাপুরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার হয় ওই মহিলার। কিন্তু ফোলা কিছুতেই কমে না। তাছাড়া বেশ কিছুদিন ধরে ওই অস্ত্রোপচারের জায়গায় ক্ষত সারছিল না। তিন সপ্তাহ আগে ওই বধূ দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বহির্বিভাগে এক মঙ্গলবারে আসেন।
মঙ্গলবার ওই আউটডোরে বসেন চিকিৎসক পবন মণ্ডল। বিভিন্ন রিপোর্ট দেখে তিনি বুঝতে পারেন, একাধিক অপারেশন হয়েছে বাঁ পায়ের। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বোঝা যায় ওই বাঁ পায়ে বড়সড় একটি টিউমার রয়েছে। তাই ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরুরী ভিত্তিতে মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়ে দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। ওই মেডিক্যাল বোর্ডে চিকিৎসক পবন মণ্ডল ছাড়াও ছিলেন অর্থোপেডিক সার্জেন ফাগুরাম মাঝি, আরেক সার্জেন সোমনাথ বিশ্বাস ও অ্যানাস্থেসিয়া অজিতপ্রসাদ মুর্মু ও অনমিত্র মণ্ডল। সম্প্রতি আড়াই ঘন্টা ধরে ওই অস্ত্রোপচারের পর এখন ওই বধূ স্বাভাবিকভাবেই হাঁটতে পারছেন। তবে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Card image cap

রানিগঞ্জে বিখ্যাত স্বর্ণবিপণিতে ডাকাতিতে গ্রেপ্তার বিহারের দুষ্কৃতী

রানিগঞ্জে সোনার দোকানে ডাকাতি ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও এক। ধৃতের নাম নাগেন্দ্র যাদব। বিহারের সারান জেলার মোবারকপুরের বাসিন্দা নাগেন্দ্র। ডাকাতির ঘটনার ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে এই নাগেন্দ্রকেই কালো জামা, কালো প্যান্ট, এবং মাথায় হেলমেট পরে দেখা গিয়েছিল। তার হাতেই ছিল ৭.৬৫ এমএম পিস্তল। একটি মোটর বাইকে যে চারজন চেপে পালিয়েছিল তার মধ্যে ছিল এই নাগেন্দ্র। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতকে সোমবার আসানসোল আদালতে পেশ করা হবে। ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করা হবে।
ডাকাতির ঘটনায় রবিবার গ্রেপ্তার হয় ‘লোকাল সোর্স’। অন্ডাল থানার দক্ষিণখন্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বছর তিরিশের শশীকান্ত মালী নামে ওই যুবককে। তার বাড়িতেই ২৬ দিন থেকে রেইকি করেছিল মাস্টারমাইন্ড সোনু সিং। তার আগে ডাকাতিতে সরাসরি সুরোজ কুমার সিংকে গিরিডি জঙ্গল থেকে গ্রেপ্তার করে ঝাড়খণ্ড ও আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ। সুরজের গ্রেপ্তারের একদিন পরেই গ্রেপ্তার হয় ডাকাতির ঘটনার মাস্টারমাইন্ড সেই গুলিবিদ্ধ সোনু সিং। এবার পুলিশের জালে নাগেন্দ্র যাদব। তার কাছ থেকে সোনা পাওয়া গিয়েছে। তবে হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রটি পাওয়া যায়নি।
একাই পালটা গুলির লড়াই চালাতে থাকেন ওই আইসি। ততক্ষণে দুটি মোটর বাইকে সাতজন দুষ্কৃতী পালাতে চেষ্টা করে। একদিকে অত্যাধুনিক অস্ত্র থেকে দুষ্কৃতীদের এলোপাথাড়ি গুলি। হাতে দেখা যায় কার্বাইনও। পালটা মেঘনাদ মণ্ডলের সার্ভিস রিভলবারের টার্গেটে ডাকাতরা। তখনও রানিগঞ্জ থানার পুলিশের দেখা নেই। প্রাণের ভয় না করে, জমি না ছেড়ে শেষ পর্যন্ত ৭ দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে একাই লড়ে গিয়েছেন শ্রীপুর ফাঁড়ির আইসি মেঘনাদ মণ্ডল। তাঁরই গুলিতে আহত হয় এক দুষ্কৃতী। শেষ পর্যন্ত বাধার মুখে পড়ে, রক্তাক্ত হয়ে কোনওমতে দুটি বাইকে সাত দুষ্কৃতী এলাকা ছাড়ে। তখনও বাইকের পিছনে ধাওয়া করেন মেঘনাদ মণ্ডল। সেই জখম ডাকাতকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত ৯ জুন, রবিবার দুপুরে রানিগঞ্জের বিখ্যাত স্বর্ণবিপণির শোরুমে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, মোট সাতজন দুষ্কৃতী ছিল। দুষ্কৃতীদল যখন লুটপাট চালাচ্ছিল তখন কাছাকাছি ব্যক্তিগত কাজে হার্ডওয়ারের দোকানে যান জামুরিয়া থানার শ্রীপুর ফাঁসির আইসি মেঘনাদ মণ্ডল। দোকান থেকে বেরিয়ে চোখ পড়ে তাঁর সোনার দোকানের শোরুমে। লক্ষ্য করেন আগ্নেয়াস্ত্র হাতে এক যুবক ভিতরে ঢুকছে আর বেরচ্ছে। দুঁদে অফিসারের নজর এড়ায়নি। সতর্ক হয়ে যান। নেন পজিশন। দোকানের বাইরে দুই দুষ্কৃতী বেরিয়ে আসতেই গুলি চালান মেঘনাদ। কোমরে গুলি লাগে এক দুষ্কৃতীর। পড়ে যায়। এর পর ৫ দুষ্কৃতী মিলে মেঘনাদকে লক্ষ্য করে লাগাতার গুলি চালাতে থাকে।প্রাণের ভয় না করে, জমি না ছেড়ে শেষ পর্যন্ত ৭ দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে একাই লড়ে গিয়েছেন শ্রীপুর ফাঁড়ির আইসি মেঘনাদ মণ্ডল। তাঁরই গুলিতে আহত হয় এক দুষ্কৃতী। শেষ পর্যন্ত বাধার মুখে পড়ে, রক্তাক্ত হয়ে কোনওমতে দুটি বাইকে সাত দুষ্কৃতী এলাকা ছাড়ে। তখনও বাইকের পিছনে ধাওয়া করেন মেঘনাদ মণ্ডল। সেই জখম ডাকাতকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

Card image cap

সাতসকালে লিলুয়ায় লাইনচ্যুত লোকাল ট্রেন! বিঘ্নিত হাওড়া-বর্ধমান মেন শাখায় ট্রেন চলাচল!

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: সাত সকালে চরম দুর্ভোগ। লিলুয়া ও হাওড়ার মাঝে লাইনচ্যুত ডাউন শেওড়াফুলি লোকাল। ঘটনার জেরে হাওড়া-বর্ধমান মেন শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত। ফলস্বরূপ নিত্য যাত্রীদের ব্যাপক ভোগান্তি। তবে ট্রেনটি ফাঁকা থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটেনি।

রেমালের জেরে সোমবারই শিয়ালদহ শাখায় একাধিক ট্রেন বাতিলের খবর এসেছিল। যার জেরে প্রবল সমস্যায় পরে যাত্রীরা। সেই দুর্ভোগের ছবি মঙ্গলবারও অব্যাহত। অফিস টাইমে ফের ট্রেন বিভ্রাট। সকালবেলাই খবর আসছে পূর্ব রেলের হাওড়া মেইন লাইনে ব্যাহত হয়েছে পরিষেবা। একটি লোকাল ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় এই বিপত্তি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রেলের আধিকারিকরা। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা হচ্ছে।
ঠিক কী ঘটেছিল? জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে শেওড়াফুলি স্টেশন থেকে একটি ফাঁকা লোকাল ট্রেনটি আসছিল হাওড়ার উদ্দেশ্যে। লিলুয়া স্টেশনের কাছে সকাল ৭ টা বেজে ১০ মিনিট নাগাদ আচমকাই ট্রেনটির একটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। ট্রেনটি ডাউন মেন লাইন থেকে রিভার্স লাইনে যাওয়ার সময়ই ঘটে যায় বিপত্তি। স্বাভাবিকভাবেই ওই লাইনে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। এরপর হাওড়া থেকে অ্যক্সিডেন্ট রিলিফ ট্রেন ডেকে পাঠান হয়। অন্যদিকে খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেলের আধিকারিকরাও। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক (সিপিআরও) কৌশিক মিত্র বলেন, ‘শীঘ্রই স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলছে, এবং ট্রেনটি কেন লাইনচ্যুত হল তা খুঁজে বের করতে একটি বিস্তারিত তদন্তও করা হবে। যাত্রী ও রেল কর্মীদের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সমস্ত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

Card image cap

ভোটে রণক্ষেত্র ঝাড়গ্রাম, BJP প্রাথীকে লক্ষ করে ইটবৃষ্টি! মাথা ফাটল সিআইএসএফ জওয়ানের!

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: ভোটে ব্যাপক উত্তপ্ত ঝাড়গ্রামের গড়বেতা। গড়বেতার মোগলাপাতায় বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডুর দেহরক্ষীদের বিরুদ্ধে একজন মহিলা ভোটারকে মারধর করার অভিযোগ। আর তার জেরেই বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছোড়ে স্থানীয়রা৷ পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে প্রার্থীর নিরাপত্তায় থাকা সিআইএসএফ জওয়ানের মাথা ফেটে যায়। কার্যত বুথ থেকে ছুটে পালাতে দেখাতে যায় প্রার্থী ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের।

জানা গিয়েছে, এদিন ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা বিধানসভার খড়কুশমা উত্তর এলাকায় ২১২ নম্বর বুথে পরিদর্শনে যান বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডু। তৃণমূলের অভিযোগ, সেখানেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক মহিলা ভোটারের উপর হামলা ও তাঁকে মারধর করেন প্রণত টুডুর নিরাপত্তারক্ষীরা। এই ঘটনার পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পাল্টা বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। প্রার্থী ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে ইট পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।
এই অবস্থায় প্রার্থীর নিরাপত্তায় থাকা জওয়ানরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু ইটের আঘাতে মাথা ফেটে যায় সিআইএসএফ জওয়ানের। ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি ঘটনার জেরে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। প্রণত টুডুর অভিযোগ, “আমার মাথায় লেগেছে। মাথায় ইট লেগেছে। ব্যথা করছে। গাড়ির কাচও ভেঙে দিয়েছে। তৃণমূল এইসব শুরু করেছে… নিরাপত্তারক্ষীরা না থাকলে বেঁচে ফিরতাম না।” ঘটনার কথা জানার পর এনিয়ে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। দ্রুত আরও বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

Card image cap

মেট্রো যাত্রীদের জন্য সুখবর! রাত এগারোটাতেও মিলবে পরিষেবা।

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: নিত্য মেট্রো যাত্রীদের জন্য বড়ো খবর। কয়েকদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম জানিয়েছিলেন, শেষ মেট্রো রাত ১০টায়, সেই সময়সীমা আরও একটু বাড়ালে সাধারণ মানুষের অনেক উপকার হয়। অবশেষে কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর দিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে রাত ১১টাতেও মিলবে মেট্রো। শুক্রবার অর্থাৎ আজ থেকে পরীক্ষামূলক ভাবে চালু হচ্ছে এই বিশেষ মেট্রো পরিষেবা।

কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র শুক্রবার এই বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, আপাতত ব্লু লাইনে শুক্রবার অর্থাৎ ২৪ মে থেকে রাতে পরীক্ষামূলকভাবে এই বিশেষ মেট্রো চালানো হবে। শনি ও রবিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি সব দিন একদিকে কবি সুভাষ থেকে ও অন্যদিকে দমদম স্টেশন থেকে এই শেষ মেট্রো রাত ১১ টায় ছাড়বে। অর্থাৎ ব্লু লাইনের আপ ও ডাউন লাইনে চলবে এই মেট্রো। যাত্রাপথে এই বিশেষ মেট্রো থামবে সব স্টেশনেই। টিকিট পেতেও কোনো অসুবিধা হবে না। প্রতিটি স্টেশনে একটি করে টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে। টোকেন ও স্মার্ট কার্ড পাওয়া যাবে সেখানে। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে চললেও শীঘ্রই পুরদমে এই মেট্রো চালু করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, শেষ মেট্রোর সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল। অফিসযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে রাতেও মেট্রো পরিষেবা চালুর আর্জি জানিয়ে এই মামলা হয় উচ্চ আদালতে। আবেদনকারীর আর্জি শুনে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, ‘‘এটি খুবই প্রয়োজনীয় আবেদন। যাত্রীদের কথা চিন্তা মেট্রোকে এ নিয়ে বিবেচনা করতে হবে।’’ মেট্রোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই কারণেই শেষ মেট্রোর সময় বাড়ানো হচ্ছে না। কিন্তু দেশের অন্যান্য শহরে রাত ১১টা পর্যন্ত মেট্রো পাওয়া যায়। সাধারণ মানুষের কথা ভেবে শেষ মেট্রোর সময় বাড়ানো যায় কি না, তা বিবেচনা করে দেখতে বলেছিলেন প্রধান বিচারপতি। সিদ্ধান্তের কথা হাইকোর্টেও জানাতে বলা হয়েছিল।

Card image cap

ভোট বঙ্গে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম, ‘খুন’ BJP-র মহিলা সমর্থক, বিক্ষোভ-ভাঙচুরে তপ্ত পরিস্থিতি!

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে জ্বলে উঠল তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত নন্দীগ্রাম। গভীর রাতে রক্ত ঝরেছে সোনাচূড়ায়। প্রাণ গিয়েছে বিজেপির এক মহিলা কর্মীর। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। একের পর এক দোকানে আগুন, গাছ ফেলে পথ অবরোধ, বিক্ষোভ-ভাঙচুরে তপ্ত পরিস্থিতি। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যেই কাঁথির জনসভা থেকে ‘বদলা’র হুঁশিয়ারি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।

প্রসঙ্গত, বুধবার রাত্রিবেলা নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ার ১ নং ব্লকের মনসা বাজার এলাকায় সংঘর্ষ বাধে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে। তার থেকে শুরু হয় হাতাহাতি। দুই পক্ষ বাঁশ লাঠি সহ অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। যার ফলে আহত হন এক মহিলা সহ ৬ জন। অভিযোগ, তৃণমূলের দলবল এক বিজেপি কর্মীর উপর বাঁশ লাঠি হাতে চড়াও হয়। সেই সময় ছেলেকে বাঁচাতে তাঁর মা অর্থাৎ রতিবালা আড়ি ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তখনই বাঁশের বাড়ি লাগে তাঁর মাথায় ও সঙ্গে-সঙ্গে অজ্ঞান হয়ে যান তিনি। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।
এই ঘটনাকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিজেপির বিক্ষোভ শুরু হয়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে, গাছের গুড়ি ফেলে প্রতিবাদ করতে থাকেন তাঁরা। বেলা বাড়তেই অশান্তির আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একের পর এক বাড়ি-দোকানে আগুন ধরানো হয়েছে বলে খবর। নন্দীগ্রাম – ভাঙাবেড়া সড়কে বিজেপির পথ অবরোধ। শেষ পর্যন্ত লাঠিচার্জ করে উপস্থিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে নেমেছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী, র‌্যাফ। সোনাচূড়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দেবকুমার রায় সহ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে পুলিশ আটক করেছে।
এলাকার বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, বুধবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্ররোচনামূলক মন্তব্যের পরই এই ঘটনা ঘটেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি নিশানা করে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “গতকাল ভাইপো নন্দীগ্রামে যে উস্কানি দিয়ে গেছে তার প্রত্যক্ষ পরিণাম হচ্ছে এই রক্তপাত। পরাজয় নিশ্চিত বুঝে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তৃণমূল।” যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের দাবি, “বিজেপির হার নিশ্চিত। এটা বুঝতে পেরেই শুভেন্দু অধিকারী প্ররোচনা দিয়ে নন্দীগ্রামকে অশান্ত করছে।” এদিকে তমলুক ও কাঁথি লোকসভা ভোটের আগে আজই শেষপ্রচার। এদিন সকালে শুভেন্দু অধিকারী কাঁথিতে জনসভা করেন। সেখান থেকেই বদলার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কথায়, “আমি ভূমিপুত্র। এই ঘটনার বদলা নেব।”

Card image cap

প্রায় ৫ লক্ষ ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট! কিন্তু কেন এই নির্দেশ? জেনে নিন

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: ভোটের মাঝে বড়ো ঘোষণা কলকাতা হাইকোর্টের। ২০১০ সালের পর তৈরি হওয়া সমস্ত OBC সার্টিফিকেট বাতিলের সিদ্ধান্ত। যার ফলস্বরূপ বাতিল হতে চলেছে প্রায় ৫ লক্ষ ওবিসি শংসাপত্র। কিন্তু হঠাৎ করে কেন এই সিদ্ধান্ত? জেনে নিন বিস্তারিত।

কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০১০ সালের পরে তৈরি হওয়া সমস্ত ওবিসি তালিকা বাতিল। অর্থাৎ ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজ্যের দেওয়া সমস্ত সার্টিফিকেট বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বুধবার এই রায় ঘোষণা করেন। যদিও ২০১০ সালের আগের ঘোষিত ওবিসি শ্রেণিভুক্ত ব্যক্তিদের শংসাপত্র বৈধ। ২০১০ সালের আগে যে যে গোষ্ঠীগুলিকে ওবিসি শ্রেণীভুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছিল সেগুলি বৈধ থাকছে।
কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত? এই প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দাবি, ২০১০ সাল পরবর্তী ওবিসি সার্টিফিকেট বৈধ নিয়ম মেনে ইস্যু করা হয়নি। তাই শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ। এই শংসাপত্র কাজে লাগিয়ে অনেকেই চাকরি পেয়েছেন। তবে শংসাপত্র বাতিলের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও প্রভাব পড়বে না। বহাল থাকবে চাকরি।
হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ অনুযায়ী ওবিসিদের নতুন তালিকা তৈরি করতে হবে। সেই তালিকা বিধানসভায় পেশ করে চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে। তবে ২০১০ সালের আগে যে যে গোষ্ঠীগুলিকে ওবিসি শ্রেণিভুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি বৈধ থাকছে বলেই জানায় হাই কোর্ট।

Card image cap

নির্বাচন আচরণ বিধি লঙ্ঘন করায় অভিজিৎ গাঙ্গুলিকে সেনসর করল কমিশন!

 এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: ভোটের আগে বড় ধাক্কা। নির্বাচন আচরণ বিধি লঙ্ঘন করার অপরাধে অভিজিৎ গাঙ্গুলীকে দোষী সাব্যস্ত করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রকাশ্য সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করার অভিযোগে গত ১৭ মে তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল কমিশন। জানিয়েছিল, বিজেপি প্রার্থী জবাব না-দিলে একতরফা পদক্ষেপ করা হবে। ২০ মে, সোমবার কমিশনকে জবাব দিয়েছিলেন অভিজিৎ। তারপর মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে তাঁকে 2৪ ঘণ্টার জন্য নির্বাচনী প্রচার থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই বিষয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় জে পি নদ্দা কে চিঠি পাঠালো কমিশন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি হলদিয়ায় অভিজিতের করা একটি বক্তৃতার ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োয় মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে অভিজিৎকে বলতে শোনা যায়, “রেখা পাত্র গরিব মানুষ লোকের বাড়িতে কাজ করে খায়, আমাদের প্রার্থী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সুন্দরী নন, একটু বেশি সুন্দরী। সেই জন্য রেখা পাত্রকে ২ হাজার টাকায় কেনা যায়। একজন মহিলা আরেক জন মহিলা সম্পর্কে কী করে এই উক্তি করতে পারেন আমরা ভাবতেও পারি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলা তো! আমার মনে প্রশ্ন জাগে মাঝে মাঝে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুমি কত টাকায় বিক্রি হও? তোমার হাতে তো ৮ লাখ টাকা গুঁজে দিলে একটা চাকরি দাও। তোমার হাতে ১০ লাখ টাকা গুঁজে দেয় এবং দিয়ে রেশন হাওয়া করে দেয় অন্য দেশে। ভারতবর্ষেই থাকে না সেই রেশন। তো তোমার দাম ১০ লাখ টাকা কেন?”
অভিজিতের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে পরদিনই তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবিতে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল শাসকদল। সেই দাবি মেনে তমলুকে প্রার্থীকে শোকজ করে কমিশন। সোমবার তার জবাবও দিয়েছিলেন অভিজিৎ। তবে তাঁর উত্তরে সন্তুষ্ট নয় কমিশন। নির্বাচন কমিশনের কথায়, “দেশে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয় মহিলাদের। বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য মহিলাদের সেই সম্মান অবক্ষয় করেছে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং যে কর্মক্ষেত্র থেকে তিনি এসেছেন, তাঁর কাছে এধরনের মন্তব্য অপ্রত্যাশিত এবং নিন্দনীয়।”

Card image cap

পঞ্চম দফার ভোটবঙ্গে উত্তপ্ত ব্যারাকপুর! ভোটকেন্দ্রে ভুয়ো এজেন্ট বসানোর অভিযোগ!

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: আজ সোমবার লোকসভা নির্বাচন ২০২৪-এর (Lok Sabha Election 2024) পঞ্চম দফার ভোট। এই পর্বে মোট ৪৯ টি আসনে ভোট। আজকের প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন রাজনাথ সিং, স্মৃতি ইরানি, রাহুল গান্ধী ছাড়াও লকেট চট্টোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, পার্থ ভৌমিক, শান্তনু ঠাকুরদের মতো একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী। আজ বাংলার ৭ কেন্দ্রে ভোট। বারাকপুর, বনগাঁ, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, শ্রীরামপুর, হুগলি ও আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রে। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে বাংলায় মোতায়েন মোট ৬৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এছাড়া দেশের মোট সাত রাজ্যের ৪৯ টি কেন্দ্রেও ভোট। প্রতিপক্ষকে পিছনে ফেলে কে এগিয়ে যাবেন? কেই বা পিছিয়ে পড়বেন, সেদিকেই নজর।

পঞ্চম দফার ভোটবঙ্গে সকাল থেকেই উত্তপ্ত ব্যারাকপুর। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের টিটাগড় ২১৫ নম্বর বুথে উত্তেজনা। বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্রের ভিতরে ‘ভুয়ো’ এজেন্ট বসানোর অভিযোগ। সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে বের করে দেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। নিজেকে এজেন্ট পরিচয় দিয়ে ভোটকেন্দ্রের ভিতরে ঢুকে ছিল ওই ব্যক্তি। কিন্তু ওই ব্যক্তি ওই বুথের ভোটার নয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে সেই বুথ কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়ে বিজেপি কর্মীরা।

Card image cap

সন্দেশখালিতে রাস্তায় বসে মহিলাদের বিক্ষোভ, ভোটবঙ্গে আবারও উত্তপ্ত সন্দেশখালি!

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: চতুর্থ দফার ভোটবঙ্গে আবারও উত্তপ্ত সন্দেশখালি। রবিবার সন্দেশখালিতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীকে রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনায় গীতা বর নামে এক মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই গ্রেফতারির প্রতিবাদে স্থানীয় মহিলারা পুলিশের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। দু’ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলার পরেই পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সরাতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। সূত্রের খবর, সন্ধ্যা হতেই গোটা এলাকা পুলিশ ঘিরে ফেলে ও শুরু হয় ধরপাকড়। অভিযোগ, টেনে হিঁচড়ে প্রিজ়ন ভ্যানে তোলা হয়েছে বিক্ষোভকারীদের। এমনকি আটকও করা হয় তিন জনকে।

উল্লেখ্য, জেলিয়াখালি এলাকায় ছিনতাইয়ের অভিযোগে বেআইনি ভাবে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, এই অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার সন্দেশখালি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা। যার নেতৃত্বে ছিলেন বসিরহাটের দলীয় প্রার্থী রেখা পাত্র। এর পরেই বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশ তৃণমূল নেতা দিলীপ মল্লিকের বাড়িতে চড়াও হন। রাস্তায় ফেলে মারধর করেন স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মীকে। ঘটনাস্থলেই ছিলেন সন্দেশখালির তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো। সেই ঘটনার পরেই রাতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন দিলীপ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গীতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান বিক্ষোভকারীরা।

Card image cap

বিধায়কের সামনে তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মার, ফের নতুন অশান্তি সন্দেশখালিতে!

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: ভোটের বাংলায় ফের নতুন করে অশান্তি সন্দেশখালিতে। এবার বিতর্ক স্টিং ভিডিও নিয়ে। এরই প্রতিবাদে প্রথমে সন্দেশখালি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান মহিলারা। পরে তৃণমূল কর্মীকে বাড়ি থেকে বের করে বিধায়কের সামনে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। পুলিশের সঙ্গেও মহিলারা বার বার ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। সবমিলিয়ে ভোট আবহে ফের যুদ্ধ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে সন্দেশখালি।

সন্দেশখালিতে ধর্ষণের অভিযোগ উড়িয়ে আরও এক নির্যাতিতার বয়ান বদলের অভিযোগ। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি সন্দেশখালির মহিলাদের। প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিনে সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এনেছে তৃণমূল। তা নিয়েই ফের হইচই। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ফেক ভিডিয়ো বানিয়ে নির্যাতিতাদের বয়ান বদল করছে। দিলীপ মল্লিক নামে এক তৃণমূল কর্মী প্রভাবিত করে নির্যাতিতাদের বয়ান বদল করছেন বলে অভিযোগ তোলেন প্রতিবাদীরা।
এরই প্রতিবাদে বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র এবং বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদারের নেতৃত্বে সন্দেশখালি থানা ঘেরাও করা হয়। সেখানে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটিও হয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। তারই মাঝে স্থানীয় মহিলারা খবর পান তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো এবং তৃণমূল নেতা দিলীপ মল্লিক গ্রামেরই একটি বাড়িতে রয়েছেন। ওই বাড়ির সামনে পৌঁছন মহিলারা। বাড়ি থেকে টেনে বের করা হয় এক তৃণমূল নেতাকে। লাঠি হাতে মহিলারা তৃণমূল নেতার উপর চড়াও হন। রাস্তায় ফেলে বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে মারধর। পোশাক ছিঁড়ে যায় তাঁর। স্থানীয় মহিলাদের অভিযোগ, বিধায়কের যোগসাজশে ওই তৃণমূল নেতারা ফেক ভিডিও তৈরি করছেন। পরে তা সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হচ্ছে। তারই প্রতিবাদে বিক্ষোভ। অবিলম্বে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মহিলারা।
বিক্ষোভ চলে বিধায়ক সুকুমার মাহাতোকেও ঘিরেও। এই পরিস্থিতিতে বিধায়ক নিজের মোবাইল বার করে একটি ফোন করতে যাচ্ছিলেন। দেখা যায়, সে সময়ে বিধায়কের ফোনও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে। অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে রেখা পাত্র সন্দেশখালিতে নতুন করে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছে। তবে বিধায়ক বলেন, “মানুষ ক্ষিপ্ত হয়েছেন। মানুষকে ভুল বোঝানো হয়েছে। বুঝাতে হবে।” পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গেও শুরু হয় ধস্তাধস্তি।

Card image cap

প্রেমিকাকে রাস্তায় ডেকে এলোপাথাড়ি কোপ যুবকের, ফের হাড়হিম করা কাণ্ড মুর্শিদাবাদে!

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: ফিরে এল সুতপা হত্যাকাণ্ডের হাড়হিম করা স্মৃতি। মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদে ফোন করে ডেকে রাস্তায় প্রেমিকাকে এলোপাথাড়ি ছুরি মেরে হত্যা করার অভিযোগ উঠল তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু তরুণীর। এই ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, প্রণয়ঘটিত অবনতির কারণেই এই খুন। ঠিক কী বলছেন পুলিশ আধিকারিকরা এই প্রসঙ্গে? জেনে নিন বিস্তারিত

শনিবার সকালে মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। সাবিয়া খাতুন, মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদের বাসিন্দা। এবার তাঁর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার কথা। শনিবার কম্পিউটার ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরছিলেন সাবিয়া। সঙ্গে ছিল তাঁর বান্ধবীরা। শোনা যাচ্ছে, মিঠু শেখ নামে এক যুবকের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ, এদিন সাবিয়াকে তাঁর প্রেমিক ফোন করে ডাকে ও কিছু বুঝে ওঠার আগেই এলোপাথাড়ি ছুরি চালিয়ে তরুণীকে হত্যা করে।
চিৎকার চেঁচামেচি শুনে জড়ো হয়ে যান স্থানীয়রা। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর দেহ উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, মৃত্যু হয়েছে নাবালিকার। তার কিছু ক্ষণের মধ্যেই গ্রেফতার হন অভিযুক্ত। মৃতার দাদা সেলিম রেজার অভিযোগ, তাঁর বোনকে খুনের পরিকল্পনা করেই ডেকে নিয়ে গিয়েছিল মিঠু। তিনি বলেন, ‘যে ভাবে পরিকল্পনা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে আমার বোনকে মিঠু খুন করেছে, তাতে ওর কঠিনতম শাস্তি হোক। রাজনৈতিক কিংবা আর্থিক প্রভাবে ও কোনও ভাবেই যেন ছাড় না পায়।’
অন্য দিকে এ প্রসঙ্গে অভিযুক্তের মা দাবি করেন, ওই নাবালিকার সঙ্গে একাধিক ‘ছেলে’র সম্পর্ক ছিল। তাঁর সংযোজন, ‘আমি ছেলেকে বেরিয়ে আসতে বলেছিলাম ওই সম্পর্ক থেকে। কিন্তু ওই মেয়েই ওকে ছাড়েনি। এখন ওকে লুকিয়ে অন্য জনের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক তৈরি করেছে… ও তো মরলই। আমার পরিবারটাকেও শেষ করে গেল।’
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২ মে, বহরমপুরের গোরাবাজার এলাকায় কলেজ পড়ুয়া সুতপা চৌধুরীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক সুশান্ত চৌধুরীর বিরুদ্ধে। সংবাদ মাধ্যমের সামনে ঠান্ডা গলায় ‘খুন করেছি’ বলতে শোনা গিয়েছিল সেই তরুণকে। গত বছরই আদালত তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে। শনিবারের এই খুনের ঘটনার সঙ্গে বছর দুই আগের ওই খুনের মামলার তুলনা টানছেন অনেকে। হাড়হিম করা সেই ঘটনায় কেঁপে উঠেছিল গোটা রাজ্য। মুর্শিদাবাদে ফের একবার যেন সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।

Card image cap

‘এরপর তো আত্মঘাতী হওয়া ছাড়া আমার কাছে কোনও রাস্তা থাকবে না’: CCTV ফুটেজে মুখ প্রকাশ্ করায় ক্ষুব্ধ অভিযোগকারিণী!

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: সম্প্রতি রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে রাজভবনের অন্দরে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন রাজভবনের এক মহিলা অস্থায়ী কর্মী। এই অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় হয়েছে রাজনৈতিক মহল। সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হোক - বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন শাসক দল। এরই মধ্যে সাধারণ মানুষের সামনে সেই ফুটেজ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। বুধবার রাজভবনের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে জানানো হয় যে বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার দিনের ফুটেজ প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সেই ফুটেজে মুখ প্রকাশ্ করায় রাজ্যপালের নিন্দায় সরব হয়েছেন অভিযোগকারিণী। তাঁর অনুমতি না নিয়ে কী ভাবে পরিচয় প্রকাশ্যে আনা হল? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ রাজভবনের তরফে ওই ঘটনার ১ ঘণ্টা ১৯ মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর কথামতো ‘সাচ কা সামনা’য় আবেদনের ভিত্তিতেই ওই ফুটেজ বাইরে দেখানো হয়েছে। তবে সেই ভিডিও রাজভবনের অন্দর নয়, তিন ধাপে নর্থ গেটের সামনের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে কোথাও দেখা যায়নি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে।
উল্লেখ্য, রাজভবনের নর্থ গেটের সামনের দু’টি ক্যামেরার রেকর্ডিং এ দিন দেখানো হয়। ১ ঘন্টা ১৯ মিনিটের ফুটেজ মোট তিনটি ধাপে দেখানো হয়েছে। প্রথম ফুটেজের সময় বিকেল ৫টা ৩১ মিনিট থেকে ৫টা ৪২ মিনিট পর্যন্ত। দ্বিতীয় ফুটেজের সময় ৫টা ৩২ মিনিট থেকে ৬টা ৩২ মিনিট পর্যন্ত। তৃতীয় ফুটেজটি সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিট থেকে ৬টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত। কিন্তু ভিডিওতে প্রকাশ্যে মুখ দেখানোয় রাজ্যপালের নিন্দায় সবর অভিযোগকারিণী।
এ প্রসঙ্গে ওই মহিলা কর্মীর সংযোজন, ‘রাজ্যপাল মহাশয় নিজে এই রকম একটা কুরুচিকর কাজ করলেন। এখন আবার নিজের দোষ ঢাকার জন্য উনি হাস্যকর এক নাটক মঞ্চস্থ করলেন… আমি জানতাম ভারতীয় আইনে রয়েছে যে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রেখে তদন্ত হওয়া উচিত। তিনি আবার অপরাধ করলেন… এর পরেও কেউ কিছু করতে পারবে না। কারণ আমি সাধারণ মানুষ, আর তিনি রাজ্যপাল। ওঁর জন্য আমার এবং আমার পরিবারের যে সম্মানহানি হয়েছে এবং আজ আমার অনুমতি ছাড়া এই ফুটেজ প্রকাশ করে যে অসম্মানটা করলেন এরপর তো আত্মঘাতী হওয়া ছাড়া আমার কাছে কোনও রাস্তা থাকবে না। তবে যদি কোনও তদন্ত হয়...যদি সত্যিটা সামনে আসে...’।
তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘আমি সিসিটিভি ফুটেজের প্রযুক্তিগত দিক সম্পর্কে অবগত নই। কিন্তু আমি কাঁদতে কাঁদতে পুলিশ আউট পোস্টের দিকে যাচ্ছি, এটা দেখা যাচ্ছে। আমার ব্যাগ কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, রাজভবনের গাড়িতে বাড়ি যেতে। যাওয়ার পথে আমাকে বোঝানোর কথাও বলা হয়। এই হাস্যকর নাটক না করে উনি পুলিশকে তদন্তের অনুমতি দেওয়ার সাহস দেখাতে পারতেন! ওঁর কর্মচারীদের সত্যি কথা বলার জন্য অনুমতি দিতে পারতেন। কিন্তু ওই দানবের মনে এখন ‘চিত্ত আমার ভয়পূর্ণ, বিকৃত মম শির!’
উল্লেখ্য, শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠলে অভিযোগকারিণীর নাম বা তাঁর পরিচয় কোনওভাবেই লঙ্ঘন করা যায় না। রাজভবনের অস্থায়ী ওই কর্মীর অভিযোগ, রাজ্যপাল এই নিয়ম ভঙ্গ করে CCTV ফুটেজে তাঁকে দেখিয়েছেন। এই নিয়ে ফের একদফা বিতর্ক বাড়ল রাজনৈতিক মহলে।

Card image cap

SSC Recruitment Verdict: পূর্বের ঘোষণায় সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ, ২৬ হাজার চাকরি আপাতত বহাল! চূড়ান্ত রায় ঘোষণা ১৬ জুলাই।

এক্সপ্রেস কলকাতা ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আপাতত স্বস্তি চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকাদের। ‘আপাতত’ কারও চাকরি বাতিল নয়, এসএসসি মামলায় সংক্ষিপ্ত রায়ে এমনটাই নির্দেশ দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আগামী ১৬ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানি হবে। ‘প্রমাণিত অযোগ্যদের’ বেতনের টাকা ফেরতের রায়েও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কিন্তু, এই মামলায় চূড়ান্ত রায় দেওয়ার জন্য যোগ্য-অযোগ্য বাছাইয়ের সূত্র যে গুরুত্বপূর্ণ, তা-ও শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। তাতে চাকরি যায় ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ এবং গ্রুপ সি-ডি নিয়োগের ক্ষেত্রে সেই নির্দেশ দেয় আদালত। পাশাপাশি, যাঁরা ‘সাদা খাতা’ জমা দিয়ে কিংবা মেয়াদ উত্তীর্ণ সময়ে চাকরি পেয়েছেন, সেই ‘অযোগ্য’দের সুদ সমেত বেতন ফেরানোর নির্দেশও দিয়েছিল হাই কোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার, এসএসসি ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। শুনানিতে সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনে শীর্ষ আদালত। সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শেষে হাইকোর্টের রায়ের উপর আপাতত স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
কিন্তু কেন এই স্থগিতাদেশ, তার ব্যাখ্যা করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলে, ‘‘যদি যোগ্য এবং অযোগ্য আলাদা করা সম্ভব হয়, তা হলে গোটা প্যানেল বাতিল করা ন্যায্য হবে না।’’ স্থগিতাদেশ থাকবে বেতন ফেরানোর নির্দেশেও। তবে চাকরি বহাল রাখলেও এই ২৫,৭৫৩ জনকেই ‘মুচলেকা’ দিতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, এ ক্ষেত্রে পরে যাঁদের নিয়োগ ‘অবৈধ’ বলে প্রমাণ হবে, তাঁদের প্রত্যেককে টাকা ফেরত দিতে হবে। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আপাতত কাউকে বেতন ফেরত দিতে হবে না। তবে চাকরি বহাল রাখলেও ২০১৬ সালের প্যানেলের ২৫,৭৫৩ জনকেই মুচলেকা দিতে হবে। পরে তাঁদের নিয়োগ ‘অবৈধ’ বলে প্রমাণিত হলে অযোগ্যদের টাকা ফেরত দিতে হবে।
পাশাপাশি, সুপারনিউমেরারি পদ তৈরি করা নিয়ে বাংলার মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে যে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তাতেও স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, সিবিআই তদন্ত করতে পারবে ‘অবৈধ নিয়োগ’ সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলি নিয়ে। তবে তদন্ত করলেও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না। লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের ১ মাস ১২ দিন পর অর্থাৎ আগামী ১৬ জুলাই আবার শুনানি হবে এসএসসির ‘চাকরি বাতিল’ সংক্রান্ত মামলার। তবে হাই কোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দিলেও সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে হাই কোর্টের রায়ে ভুল ছিল না। ১৬ জুলাই এই মামলার চূড়ান্ত নির্দেশ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
মঙ্গলবারের নির্দেশের পর মমতা এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টে ন্যায় প্রাপ্তির পর আমি বাস্তবিকই খুব খুশি এবং মানসিক ভাবে তৃপ্ত। সামগ্রিক ভাবে শিক্ষক সমাজকে জানাই আমার অভিনন্দন এবং মাননীয় সুপ্রিম কোর্টকে জানাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা।” সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তী নির্দেশ প্রকাশের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘‘বাংলার ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিজেপি যে ‘বোমা’ ছুড়েছিল, তা নিষ্ক্রিয় করল মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট। সত্যের জয় হয়েছে। সব বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব এবং মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াব, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত। জয় বাংলা।’’
অন্য দিকে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার বা তৃণমূল কংগ্রেস বার বার যে কথা বলছিল—মানবিকতার কথা, চাকরি না খাওয়ার কথা, তারই ইতিবাচক প্রতিফলন আপাতত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বোঝা যাচ্ছে।’’ তবে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েও বলেন, “সিবিআই তদন্ত করবে। তাই বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে, মনে করার কারণ নেই।’’